Showing posts with label ঢাকা. Show all posts
Showing posts with label ঢাকা. Show all posts

Tuesday, 1 August 2023

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ১% ভোটারের পূর্ব স্বাক্ষর করণ বিধান বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ১% ভোটারের পূর্ব স্বাক্ষর করণ বিধান বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন


বিশেষ প্রতিনিধিঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ১% ভোটারের পূর্ব স্বাক্ষর করণ ধারা ১২ (২)(৩এ) (এ) বাতিলের দাবিতে ২৯ জুলাই শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধিকার রক্ষা পরিষদ এর উদ্যোগে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

এসময় ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে নিবন্ধিত/অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধিকার রক্ষা পরিষদের আহবায়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন, এক—এগারোর সেনা নিয়ন্ত্রিত অগণতান্ত্রিক সরকার ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১% ভোটারের পূর্ব স্বাক্ষর করণ বিধানটি আরপিওতে অন্তর্ভুক্ত করে ছিলো। 

এর উদ্দেশ্য ছিল, জনগণকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা। ভোটাররা গোপন কক্ষে ভোট দেন। এতে প্রতিনিধি নির্বাচনে তাদের সুরক্ষার পাশাপাশি গোপনীয়তা বজায় থাকে। কিন্তু এক শতাংশ ভোটার যখন নির্বাচনের পূর্বেই স্বাক্ষর করেন এতে তাদের গোপনীয়তা প্রকাশ হয়ে পড়ে যা প্রতিটি ভোটারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অসাংবিধানিক। এই প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশের সংবিধান এবং মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। এতে হাজার হাজার ভোটার কে ক্ষতির সম্মুখীন করা হচ্ছে।

আমরা মনে করছি, এখনো সময় আছে, নির্বাচন কমিশন যেসব ভুল ত্রুটি করেছে, সেসব ভুলত্রুটি খুব দ্রুত সংশোধন করে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী ব্যবস্থা তৈরী করে জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবেন। আমরা  নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ১% ভোটারের পূর্ব স্বাক্ষর করণ বিধান বাতিলের দাবি জানাচ্ছি এবং নির্বাচন কমিশনের ভুল ত্রুটি সংশোধন করে আগামী দ্বাদশ সংবাদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির অনুরোধ করছি।

এসময় তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। ২০১১ সালে এসে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার এর বিধান তুলে দিয়ে, সংসদ বহাল রেখে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অগ্রিম ১% ভোটারের স্বাক্ষর প্রদান ধারা ১২ (২) (৩এ)(এ) বহাল করে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী ব্যবস্থায় বাঁধা সৃষ্টি করে ও অগণতান্ত্রিক নতুন ধারা প্রতিষ্ঠা করে। 

যেখানে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা উঠিয়ে দিয়েছে, সেখানে এক—এগারোর সেনা নিয়ন্ত্রিত অগণতান্ত্রিক সরকারের করা বিধানের বৈধতা দিয়ে অগণতান্ত্রিক কালাকানুন চালু করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। তাই এই কালাকানুন কে অসাংবিধানিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে আমরা মনে করছি।

সংগঠনের সদস্য সচিব, রফিক ইসলাম সম্রাট বলেন, ৫ জানুয়ারী ২০১৪ এবং ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ দুটি নির্বাচন হয়েছে, এসব নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ও অগণতান্ত্রিক বলে স্বীকৃত হয়। এসব নির্বাচনে ১% ভোটারের পূর্ব স্বাক্ষর করণ কালাকানুনের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ায় সাধারণ ভোটারগণ ভোট কেন্দ্র বিমুখ হয়ে পড়েছে, যা ২০১৪—২০১৮ এ প্রদত্ত মোট ভোটের অনুপাত থেকে দৃশ্যমান। তাই অনতিবিলম্বে আমাদের দাবি মনে ১% ভোটারের পূর্ব স্বাক্ষর করণ বিধান বাতিল করে শর্তহীনভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন।

এসময় সংগঠনের পক্ষ থেকে অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক দফা দাবী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নিকট উপস্থাপন করা হয়।

১। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ১% ভোটারের পূর্ব স্বাক্ষর করণ ধারা ১২ (২) (৩এ) (এ) বাতিল করতে হবে।

এসময় মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক হুমায়ুন কবির হিরু (সাবেক সাংসদ), মোহাম্মদ আলী আজম ,যুগ্ম আহবায়ক, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধিকার রক্ষা পরিষদ, মেজর জেনারেল আমসাআ আমিন (অবঃ) , চেয়ারম্যান, নৈতিক সমাজ, সুলতান জিসান উদ্দিন প্রধান, আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জনমত পার্টি, এডভোকেট ইকবাল কবির, প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ জনদরদী পার্টি, আবুল কাশেম মজুমদার, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, মোঃ হাসান সভাপতি, বাংলাদেশ বেকার সমাজ (বাবেস), আবু আহম্মেদ ভুইয়া, আহ্বায়ক, বাংলাদেশ বিদেশ প্রত্যাগত ও প্রবাসী কল্যাণ দল, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ইত্যাদি সাগর, প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ইত্যাদি পার্ট প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ ও রতন সরকার স্মৃতিপদক প্রদান

বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ ও রতন সরকার স্মৃতিপদক প্রদান


বিশেষ প্রতিনিধি : সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন,”সরকার সাংবাদিকদের স্বার্থরক্ষায় করছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন সাংবাদিক বান্ধবনেত্রী। তিনি সাংবাদিকদের কল্যানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন এবং সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন”। 

রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব হল রুমে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের যুগে পদার্পণ উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে (ভার্চুয়াল) তিনি এ কথা বলেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল, বিএমএসএফ’র আইন উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট কাওসার হোসাইন, সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বাপ্পী সরদার।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমএসএফ’র প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।

সভায় সারাদেশের সাংবাদিকদের প্রস্তাব সমর্থনে আহমেদ আবু জাফরকে সভাপতি ও আমাদের সময় প্রতিনিধি মেহেদি হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে এক বছরের জন্য বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া যুগে পদার্পণ উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আলোচনাসভা, কেক কাটা, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রদানকৃত সাংবাদিক প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ ও রতন সরকার স্মৃতিপদক প্রদান করা হয়।

বিএমএসএফ’র ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর তার বক্তব্যে সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ১৪ দফা আন্দোলনকে বেগবান করার আহ্বান জানান।

সভায় অনন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক খান, আমির হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন , জিয়াউদ্দিন তাওহীদ,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা, কুমিল্লা জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন চাষী, নরসিংদী জেলার সভাপতি মোস্তাক আহমেদ খান, চট্টগ্রাম দক্ষিণের সভাপতি আব্দুল হাকিম রানা, গাজীপুর জেলা সভাপতি আব্দুল হামিদ খান, বরিশাল জেলার সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন মৃধা, পটুয়াখালী জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সহ-সভাপতি আমির হোসাইন, বগুড়া জেলা সভাপতি মমিনুর রশিদ শাইন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম রহিত, ফেনীর কাজী নোমান, ঝালকাঠির এস এম রেজাউল করিম, নোয়াখালী জেলার সভাপতি মানিক ভূঁইয়া, শ্রীপুর শাখা সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সম্পাদক বাতেন বাচ্চু, টেকনাফ শাকার সাধারণ সম্পাদক আরাফাত সানি বাকেরগঞ্জ শাখার সভাপতি জিয়াউল হক আকন প্রমূখ।

এ সময় সদ্যপ্রয়াত সাংবাদিক রতন সরকারের ভাই কনক ওয়াজেদ, কক্সবাজারের নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা, জামালপুরের শেলু আকন্দ ও রাজবাড়ীর জেলার পাংশার উপজেলার দৈনিক বাংলা ৭১ এর বিশেষ প্রতিনিধি নির্যাতিত সাংবাদিক মোঃ আবুল কালাম আজাদ নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে।


Friday, 28 October 2022

ফরিদপুর জেলা অটোরিক্সা ও অটোটেম্পো ড্রাইভার্স ইউনিয়নের ত্রি- বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

ফরিদপুর জেলা অটোরিক্সা ও অটোটেম্পো ড্রাইভার্স ইউনিয়নের ত্রি- বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন


নিরঞ্জন মিত্র নিরু: ফরিদপুর জেলা অটোরিক্সা ও অটোটেম্পো ড্রাইভার্স ইউনিয়ন রেজিঃ নং- ৩৪২৭ এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

(২৮ অক্টোবর) শুক্রবার সকাল ৮ টায় শুরু হয়ে বিরতিহীন ভাবে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট প্রদান সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে ৭ শত ৬৬ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ২১ টি ভোট বাতিল। ভোট গণনা শেষে সন্ধ্যার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পৌর কাউন্সিলর গোলাম মোঃ নাছির বেসরকারি ভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

এতে যুগ্ম সম্পাদক পদে মোঃ মামুন মন্ডল মশাল প্রতীক নিয়ে ৩৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সহ-সম্পাদক পদে মোঃ বিল্লাল শেখ কলস প্রতীক নিয়ে ৪২০ ভোট ও মোঃ রিপন শেখ অটো টেম্পো প্রতীক নিয়ে ৩৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২২-২০২৫ ইং ১৩ টি পদের বিপরীতে ২১ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ১০ টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকি তিনটি পদের জন্য ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সভাপতি পদে মোঃ কবির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হাকিম মিয়া। এছাড়া কার্যকরি সভাপতি পদে মোঃ সামচু মোল্লা, সহ-সভাপতি পদে মোঃ আক্কাছ আলী শেখ, কোষাধ্যক্ষ পদে মোঃ লিয়াকত আলী বাবু, সড়ক সম্পাদক পদে মোঃ লাবলু খা, তোতা শেখ ও মোঃ লিটন মিয়া, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ শহিদ বেপারী ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ রাশেদ মিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে দ্বায়িত্ব পালন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পৌর কাউন্সিলর গোলাম মোঃ নাছির, সদস্য সচিব আন্তজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মান্নান শেখ মানা, পরিচালনা সদস্য অটো টেম্পু মালিক সমিতির সভাপতি মুনসুর মিয়া লাবলু, সাংবাদিক বিজয় পোদ্দার ও হাসিবুল আমিন সিদ্দিকি লিপন।

Sunday, 19 December 2021

সাবেক সংসদ সদস্য বিত্রনপি'র কেন্দ্রীয় নেতা চৌধুরী আকমাল ইবনে ইউসুফ আর নেই

সাবেক সংসদ সদস্য বিত্রনপি'র কেন্দ্রীয় নেতা চৌধুরী আকমাল ইবনে ইউসুফ আর নেই

আনোয়ার জাহিদ: ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় বিত্রনপি'র নেতা চৌধুরী আকমাল ইবনে ইউসুফ আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৭৫) বছর।

তিনি গতকাল শনিবার (১৯শে ডিসেম্বর)  দিবাগত রাত একটা বিশ মিনিটের সময় তার ঢাকায় বনানীর নিজ বাস ভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে, তিনি দুই কন্যা সন্তান ও স্ত্রী সহ বহু গুনগ্রহী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন নানাবিধ রোগে ভুগছিলেন।

মরহুম আকমাল ইবনে ইউসুফ ছিলেন, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ইউসুফ আলী চৌধুরী মোহন মিয়ার তৃতীয় সন্তান এবং কেন্দ্রীয় বিত্রনপির ভাইস চেয়ারম্যান  ফরিদপুর অঞ্চলের বিত্রনপি'র বর্ষিয়ান নেতা সাবেক মন্ত্রী মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের আপন সেঝ ভাই।

আকমাল ইবনে  ইউসুফের মেঝ ভাই মরহুম  সাব্বির ইউসুফ ছিলেন, বাংলাদেশের জাতীয় হকি দলের প্রথম ক্যাপ্টেন এবং স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হকি খেলোয়ার।

উল্লেখ্য, রবিবার (১৯শে ডিসেম্বর), বাদ আসর ঐতিহ্যবাহী ময়েজউদ্দীন হাইস্কুলের মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা সম্পন্ন করা হবে।

এরপর, ফরিদপুর কমলাপুরের ঐতিহ্যবাহী ময়েজ মঞ্জিলের পারিবারিক গোরাস্থানে বড় ভাই কামাল ইবনে ইউসুফের পাশে তার দাপন সম্পন্ন করা হবে। 

প্রসঙ্গতঃ মরহুম চৌধুরী আকমাল ইবনে ছিলেন, বঙ্গদেশের ফরায়েজী আন্দোলনের প্রবর্তক হাজী শরীয়তুল্লাহর পুত্র মহসীন উদ্দীন আহমেদ পীর দুদু মিয়ার নাতী।

Monday, 27 September 2021

ফরিদপুরে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

ফরিদপুরে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা




রবিউল হাসান রাজিবঃ "Tourism for Inclusive Growth" "অন্তর্ভূক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে পর্যটন" প্রতিপাদ্য নিয়ে ফরিদপুরে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২১ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২১ সোমবার সকাল ১০.০০ টায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কর্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।


সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দীপক কুমার রায়।


সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রেজভী জামান, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক প্রফেসর মোঃ শাহজাহান, ব্লাষ্টের সমন্বয়কারী এ্যাড. শিপ্রা গোস্বামী বক্তব্য প্রদান করেন। 


আলোচনা সভার শুরুতে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসটির শুভ সুচনা করা হয়।   


প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে যতগুলো পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ অন্যতম।


বাংলাদেশে টুরিস্ট আসবে আর জাতির জনকের সমাধিস্থল ভ্রমন করবে না এমন যেন না হয়। যারা ভ্রমনে আসবে তারা যেন অধিকাংশই জাতির জনকের সমাধিস্থলে আসে সে ব্যবস্থা করতে হবে। জাতির জনকের সমাধিস্থলে যাওয়ার পথে ভাংগার এক্সপ্রেস হাইওয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে। তাছাড়া ভাংগায় যে বঙ্গবন্ধু মাহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে এখানে এক্সপ্রেস হাইওয়ের সাথে ৯০ ডিগ্রী নামে একটি রাস্তা তৈরীর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এটি নির্মিত হলে বিশ্বে একমাত্র ৯০ ডিগ্রী রাস্তা হবে এটি। এ জায়গাটিও হতে পারে একটি পর্যটন কেন্দ্র।


তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন পর্যটন খাতকে ঢেলে সাজাতে হবে। ফরিদপুরে যে সকল পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে সেগুলোকে হাইলাইট করতে হবে। ফরিদপুরের এসকল পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে পারলে অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।

ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার

ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার




রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২১ সোমবার বেলা ১১.০০ টায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ জিয়া হায়দার চৌধুরী। 


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দীপক কুমার রায়,  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার, জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নুরুল্লাহ মোঃ আহসান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক মোল্লা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুল আলমসহ বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, উপজেলা মৎস কর্মকর্তা ও মৎসজীবী সমিতির সদস্যবৃন্দ। 


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী।  


অনুষ্ঠানে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প উপ প্রকল্প পরিচালক মোঃ মাহবুবুর রহমান।


উন্মুক্ত আলোচনায় মধুখালি উপজেলার মৎসজীবী সমিতির মুন্সি বেনজির আহমেদ বলেন, নদীর তীরে বিভিন্ন কলকারখানার বর্জ্য সরাসরি নদীতে পড়ায় পানি দুষিত হয়, এতে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের ক্ষতি হয়। 

যদি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন করা যায় তাহলে এ সমস্যা দুর করা সম্ভব। 


মৎসজীবী সমিতির আরেক সদস্য জয়নাল মোল্লা বলেন নদীতে যে নৌকা নিয়ে মাছ ধরে বা যারা ধরে তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেন। তবে ঘাটে ভিড়ানো নৌকা ধ্বংস না করতে অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, নৌকা ঘাটেই বাঁধা থাকে, সব নৌকা এ সময় মাছ ধরার কাজে ব্যবহার করা হয় না। এছাড়াও তারা তাদের নানামুখী সমস্যার কথা অতিথিদের সামনে তুলে ধরেন এবং এ সকল সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

মাদারীপুরের কালকিনিতে নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরের কালকিনিতে নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার



রকিবুজ্জামান, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরের কালকিনিতে পালরদী নদীতে পড়ে নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে আড়াই বছরের শিশু আরাফাতের মরদেহ।

উপজেলার বদ্দারঘাট এলাকার পালরদী নদীর তীর থেকে রোববার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।মৃত শিশুর নাম আব্দুল্লাহ আরাফাত। সে উপজেলার চর ঠেঙ্গামারা গ্রামের আলাই ভাণ্ডারীর ছেলে।মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মাহাতাব হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত শনিবার সকাল ৯ টার দিকে ঘরের সামনে পালরদী নদীর তীরে খেলতে যায় শিশু আরাফাত। পরে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তখন ধারণা করা হয় সে পা পিছলে নদীতে পড়ে যেতে পারে।

কালকিনি থানা পুলিশের সহযোগিতায় মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নদীর তিন কিলোমিটারজুড়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। রোববার সকালে বদ্দারঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আলাই ভান্ডারী বলেন,‘ছেলেটাকে বাঁচাতে পারলাম না। এখন এটুকু সান্ত্বনা যে, জীবিত ছেলেকে না পাইলেও লাশটা দেখতে পাইছি। নদীতে স্রোত কম থাকলে হয়তো আমরা জীবিত ছেলেকে খুঁজে পাইতাম। সব দোষ আমাদের কপালের, না হলে কিভাবে এমন ঘটনা ঘটে।’

জেলা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মাহাতাব হোসেন বলেন, ‘প্রায় ২২ ঘণ্টা পর শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নদীতে স্রোত বেশি থাকায় আমাদের উদ্ধার কাজে সময় বেশি লেগেছে।